শনিবার । ৭ই মার্চ, ২০২৬ । ২২শে ফাল্গুন, ১৪৩২

ইরান যুদ্ধের প্রভাব ভারতের ওপর পড়বে: প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরান বনাম ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান যুদ্ধের আর্থিক এবং বাণিজ্যিক প্রভাব ভারতের ওপর পড়বে বলে মনে করছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। শুক্রবার (৬ মার্চ) কলকাতায় সমুদ্র বিষয়ক সম্মেলন ‘সাগর সংকল্প’-এ যোগ দিয়ে এমন শঙ্কার কথা জানান তিনি।

রাজনাথ সিং বলেন, ‘হরমুজ প্রণালী কিংবা গোটা পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল বিশ্ব জ্বালানির নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই অঞ্চলে কোনও ধরনের বিঘ্ন বা অস্থিরতা তৈরি হলে তা সরাসরি তেল এবং গ্যাসের সরবরাহকে প্রভাবিত করে। বর্তমানে যুদ্ধের এই অস্বাভাবিক পরিস্থিতিই যেন বিশ্বজুড়ে নতুন স্বাভাবিক বা নিউ নর্মালে পরিণত হচ্ছে।’

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি ‘উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে পরিস্থিত জটিল হয়ে উঠেছে। সংঘাত জটিল এবং উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে।’

প্রতিরক্ষামন্ত্রী খানিকটা উৎকণ্ঠার সুরেই বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে এবং মনে করা হচ্ছে ভবিষ্যতে এটি আরও দ্রুত পরিবর্তনশীল এবং অনিশ্চিত হয়ে উঠবে। বিভিন্ন দেশ যেভাবে স্থলভাগে, আকাশপথে এবং জলপথ এমনকী মহাকাশেও একে অপরের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হচ্ছে তা আমাদের সবার জন্যই উদ্বেগের বিষয়।’

রাজনাথের সংযোজন, ‘আরও বেশি উদ্বেগের কারণ হলো, এই অস্বাভাবিক পরিস্থিতিই যেন ধীরে ধীরে নিউ নর্মালে পরিণত হচ্ছে। এটা ভারতের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।’

প্রসঙ্গত, হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ায় জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা করছে গোটা বিশ্ব। এই অবস্থায় ভারতও জ্বালানির আমদানির বিকল্প রাস্তা খুঁজছে। ভারতের পাশে এসে দাঁড়াতে চেয়েছে রাশিয়া। কিন্তু রাশিয়া থেকে তেল কিনলে যে আবার যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক গুনতে হবে। তাই কিছুটা সংশয়ে ছিল সরকার।

যদিও এমন পরিস্থিতিতে ভারতের প্রতি কিছুটা যেন সদয় হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে ছাড়পত্র দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

খুলনা গেজেট/এএজে




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন